‘যতক্ষণ ভারত বিকশিত না হচ্ছে, থামব না’, ২৫ বছর পূর্তিতে বড় বার্তা মোদীর

প্রশাসক হিসেবে ২৫ বছর পূর্তির দিনে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে দৃঢ় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’য় তিনি জানান, ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত থামবেন না বা ক্লান্ত হবেন না। ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Oct 7, 2026 - 14:44
 0  5
‘যতক্ষণ ভারত বিকশিত না হচ্ছে, থামব না’, ২৫ বছর পূর্তিতে বড় বার্তা মোদীর

প্রশাসক হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর ২৫ বছর পূর্তির দিনেই সামনে এল ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে তাঁর দৃঢ় বার্তা। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্বে আসার পর থেকে দীর্ঘ ২৫ বছরের যাত্রার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানালেন, দেশের উন্নয়নের নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি থামবেন না।

‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’য় নিজের প্রশাসনিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং আগামী দিনের লক্ষ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন মোদী। সেখানেই তিনি বলেন, “যতক্ষণ না ভারত বিকশিত ভারত না হয়, ততক্ষণ আমি থামব না, ক্লান্ত হব না।”

২০৪৭ সালকে সামনে রেখেই ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তির সময় ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে অর্থনীতি, পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, গবেষণা এবং বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে আত্মনির্ভরতার প্রসঙ্গও। দেশের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো, উৎপাদন ও গবেষণায় জোর দেওয়া এবং নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন। তাঁর ঘোষিত ২০৪৭-এর রূপরেখায় উন্নত ও আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

মোদীর ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রার শুরু হয়েছিল ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন। সরকারি নথিতেও ৭ অক্টোবরকে তাঁর প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছরের মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মোদী বারবার ২০৪৭-এর লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করার কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে উন্নত ভারতের পাশাপাশি আত্মনির্ভরতা, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা, উৎপাদন এবং তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার কথাও গুরুত্ব পেয়েছে।

‘বিকশিত ভারত’ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বার্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উঠে এসেছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন ও সমালোচনাও চলছে। ফলে ২৫ বছর পূর্তির মঞ্চ থেকে মোদীর এই দৃঢ় বার্তা রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া। ২০৪৭-এর মধ্যে ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার যে লক্ষ্য তিনি সামনে রেখেছেন, সেই লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারই এ দিনের বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0